সাত মাসের গর্ভবতী সিভিক ভলেন্টিয়ার মহিলাকে মারধর ও আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা অভিযোগ বৌদিকে গ্রেফতার করলো পুলিশ।জানা যায় গতকাল রাতে আনুমানিক রাত আটটার নাগাদ। শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের অন্তর্গত ফাঁসিদেওয়া অঞ্চলের শক্তিনগর এলাকায়। মাম্পি দেবনাথ (মৈত্র), ফাঁসিদেওয়া থানায় সিভিক ভলেন্টিয়ার এর কর্মকর্ত ছিল মাম্পি। প্রতিদিনের মতো বাড়িতে রান্না ঘরে কাজ করছিল।সেই সময় তার বাড়িতে কেউ না থাকার সুবাদে। মামাতো বৌদি বাড়িতে এসে তার কাছে টাকা চাইছিল।সেই টাকা না দেওয়ায় তাকে বেধড়কভাবে মারধর করতে থাকে। এরপরেই গর্ভবতী মাম্পি জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরবর্তীতে অভিযুক্ত বৌদি তার গায়ে কেসিন তেল ঢেলে আগুন লাগিয়ে। তার ঘরের থেকে সোনা গয়না টাকা পয়সা নিয়ে চম্পট দেয়।গায়ে আগুন লাগতেই জ্ঞান ফিরে আসে মাম্পির। এরপরে কোনক্রমে সে আগুন নিভিয়ে চিৎকার চেঁচামেচি করতে থাকে।তড়িঘড়ি স্থানীয়রা ছুটে এসে মাম্পিকে ফাঁসি দেওয়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে আসে। সেখান আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে।উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। পরবর্তীতে মাম্পির শ্বশুরবাড়ির লোকজন ফাঁসিদেওয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।এর পরেই আজ সকালে ফাঁসি দেওয়া থানার পুলিশ। মামাতো বৌদি চিরতা দেবনাথ(35) কে গ্রেফতার করে।ধৃত কে আজ শিলিগুড়ি মহকুমা আদালতে পাঠানো হয়। তদন্তের স্বার্থে পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে আদালতের কাছে। তবে পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ফাঁসিদেওয়া থানার পুলিশ।







